Tuesday, March 19, 2019
Home > আঞ্চলিক সংবাদ > হাতিয়ায় স্বামী গুম, স্ত্রী প্রতারনার শিকার, ৪ সন্তান ভয়ে আতঙ্ক

হাতিয়ায় স্বামী গুম, স্ত্রী প্রতারনার শিকার, ৪ সন্তান ভয়ে আতঙ্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি :
নোয়াখালী : স্বামী হারিয়ে ৪ সন্তান নিয়ে জীবন ও সংগ্রম রক্ষা করা কঠিন। সন্তানদের রক্ষা করতে প্রতারনার শিকার হয় ৪ সন্তানের জননী মিনুতী বালা দাস। অভিযোগে জানা যায়, নোয়াখালী জেলার দ্বীপ উপজেলায় হাতিয়ায় চরআমান উল্যার চিত্ত রজ্ঞন দাসের মেয়ে মিনুতি বালা দাস প্রতারিত হওয়ায় নোয়াখালী পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগে উল্লেখ আছে একই উপজেলার চরকিং দাস পাড়ার প্রেম লাল চন্দ্র দাসের সাথে সনাতন হিন্দু ধর্ম মতে বিবাহ হয়, তাদের জীবন সুখে স্বাচ্ছন্দ্যে চলছিল, স্বামীর কৃষি কাজে সহযোগীতা করা নিজে একটা স্কুলে চাকরী করা। এতে তাদের সংসারে সুখেই ছিলে। তাদের সংসারে ৪টি মেয়ে সন্তান জম্ম নেয়। হঠাৎ স্বামী প্রেমলাল দাস নিখোঁজ হয়ে যায়। বহু খোজাখুজির পর আজো পাওয়া যায়নি। সে নিখোঁজ না গুম তাও আমরা জানি না। তাদের বিয়ের সময় মা-বাবা ও স্বামী দেয়া ৭ ভরি স্বর্ন ছিলো। নিজেদের উপার্জনের ৩ লাখ টাকা জমা ছিলো। একই উপজেলার চরইশ্বর রায়দাসের হাটে মাখন চন্দ্রকারের ছেলে প্রদীপ কুমার কাহার তার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে তার অসহায়র্থের সুযোগ নিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, পরিস্থিতির শিকার মিনুতি বালা ৪সন্তানকে নিয়ে বিপাকে পড়ে। প্রদীপ তার সন্তানদের নিজের সন্তানের মতো ভরণ পোষণ দেখাশুনা সহ সব ব্যবস্থা করবে তাদের সুরক্ষা করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিলে সাথে থাকা স্বর্ন ও টাকা প্রদীপ কুমারকে দিয়ে দেয়া হয়। মিনুতি বালাকে হাতিয়া থাকতে অসুবিধা হবে বলে ঢাকায় নিয়ে আসে। সেখানে মিনুতির সাথে প্রদীপের সাথে মতবিরোধ হয়। প্রদীপ কাহার মিনুতিকে গোপালগঞ্জের তার আতœীয় বাড়ি নিয়ে যায়। গোপালগঞ্জের জেলা জজ কোর্টের আইনজীবি এড.আনোয়ারুল ইসলাম শিকদারের চেম্বারে নোটারি পাবলিক করানো হয়। নোটারি পাবলিক নং ২২৬০,তাং-১৯.১০.১৭ইং। তাতে উভয়ে সমঝোতা হয়েছে। মর্মে উল্লেখ আছে। এতে আরো উল্লেখ আছে ও মিনুতি বালা ও তার সন্তানদের লেখা পড়া ভরণ পোষন সহ সব দায়িত্ব পালন করিবে। কোন অসুবিধা হইলে তাদের ১০ লাখ টাকা দিবে। এ চুক্তিতে এফিডেভিট করানো হয়। এর তাদেরকে ঢাকায় নিয়ে আসে। সেখানে একটা বাসায় রাখে, কিছু দিনের মধ্যে পর পর বাসা পাল্টাতে থাকে। এছাড়া কিছু লোক প্রদীপের সাথে চলাফেরা ও বাসায় যাতায়াত করে । এতে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। প্রতিবেশী মহিলারা মিনুতির কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে, সে কিছু জানে না, সব লোকেরা নারী প্রচারসহ নানা প্রকার অপরাধ কাজে জড়িত । মিনুতি সবার সাহায্য চাইলে তারা চাঁদা তুলে নোয়াখালী পাঠাইয়া দেয়। সে নোয়াখালী আসে এবং নোয়াখালী পুলিশ সুপার বরাবর দরখাস্ত দেয়। তার ৩৬১৯,তাং-০৯.০৮.২০১৮ইং। ঘটনা তদান্তধীন আছে মর্মে সুত্র জানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *