Monday, August 19, 2019
Home > বিনোদন > শিল্পী সমিতির আগামী নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়বেন ওমর সানি

শিল্পী সমিতির আগামী নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়বেন ওমর সানি

এপিপি বাংলা : আর কিছুদিন পরেই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। সেখানে ‘সভাপতি’ পদে অংশ নেয়ার জন্য ভেতরে ভেতরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন নব্বই দশকের সাড়া জাগানো চিত্রনায়ক ওমর সানি। সাংবাদিকদের  সঙ্গে আলাপে এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন এই নায়ক। তিনি জানালেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে অবশ্যই নির্বাচন করবেন।

সর্বশেষ ২০১৭ সালের নির্বাচনে ‘সভাপতি’ পদে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নিলেও মিশা সওদাগরের কাছে পরাজিত হন ওমর সানি। তার আগে তিনি দুইবার শিল্পী সমিতির কার্যকরী সদস্য, একবার ক্রীড়া ও প্রচার সম্পাদক এবং সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক মনে করেন, এবার ‘সভাপতি’ পদ ছাড়া তার জন্য বিকল্প কোনো অপশন নেই। বললেন, আমি প্যানেল থেকে নির্বাচন করবো। তবে প্যানেলের অন্যান্য পদে কারা থাকবেন এখনও ঠিক হয়নি।

ওমর সানি বলেন, শিল্পী সমিতি ভালোবাসার জায়গা। এটা টাকা-পয়সা কামানোর জায়গা না। কিন্তু কেউ কেউ শিল্পী সমিতিকে ব্যবহার করে টাকা-পয়সা কামানোর জায়গা করে ফেলেছে। আগামী নির্বাচনে সমিতি থেকে কামানো লাখ লাখ টাকা ঢালা শুরু করবে। সমিতি ও এই জায়গাটাকে ভালোবাসি। যারা টাকা ঢালবে তাদের সঙ্গে টক্কর দেয়াটা বেমানান দেখাবে।

ভোটারদের উদ্দেশ্যে ওমর সানি বলেন, যারা সমিতিকে ঢাল বানিয়েছে তাদের হঠাও। কারা ঢাল বানিয়ে সুযোগ সুবিধা নিয়েছে তাদের নামগুলো আমি বলতে চাইনা। যারা সমিতির সদস্য, ভোটার এবং বাংলা সিনেমার দর্শক তারা এ সম্পর্কে ভালো করেই জানে। তাই আমার চাওয়া ভালো একটা কমিটি আসুক। যারা ব্যক্তি স্বার্থে নয়, চলচ্চিত্রের কাজে শিল্পী সমিতিকে ব্যবহার করবে। আসল কথা হলো, যারা চলচ্চিত্রকে বাঁচাতে কাজ করবে।

সবশেষে ওমর সানি জানান, তিনি যেমন চলচ্চিত্রের সুদিনে ছিলেন, তেমনি খারাপ দিনেও পাশে আছেন, থাকবেন।

প্রসঙ্গত, গেল ২৪ মে ২০১৭-১৮ মেয়াদে নির্বাচিত শিল্পী সমিতির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। সমিতির গঠনতন্ত্রের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদের (চ)-এ আছে, ‘পূর্ববর্তী কার্যকরী পরিষদের মেয়াদান্তে অতিরিক্ত ৯০ দিনের মধ্যে অবশ্যই নির্বাচন হইতে হইবে।’ সে হিসাবে আগামী ২৪ আগস্টের মধ্যে ২০১৯-২০-এর নির্বাচন হওয়ার কথা।

কিন্তু সেই নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা হয়নি। শিল্পী সমিতির বিদায়ী কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আগামী আগস্টের মধ্যেই নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু আগস্ট শোকের মাস। তাই এক মাস পিছিয়ে সেপ্টেম্বর মাসে নির্বাচন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আগস্টের শেষ দিকে হয়তো তফসিল ঘোষণা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *