Friday, September 25, 2020
Home > আঞ্চলিক সংবাদ > আ.লীগ-যুবলীগের দুই নেতাকে পেটালেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি

আ.লীগ-যুবলীগের দুই নেতাকে পেটালেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি

এপিপি বাংলা : আওয়ামী লীগ-যুবলীগ ও জনপ্রতিনিধি দুই নেতাকে মারধর করেছেন ব্রাহ্মবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ্ ও তার লোকজনেরা। রোববার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ঘাটুরা এলাকায় খন্দকার মার্কেটে সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ মহসিন খন্দকারের অফিসে এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর মাসুম বিল্লাহ্কে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন ওই দুই নেতার কর্মী-সমর্থকরা। রোববার রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তারা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন। এ সময় এই মহাসড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি গ্যাস ফিল্ডের একটি ঠিকাদারি কাজ পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী শাহরুল, সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মহসিন খন্দকার ও সদর উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হাজারী আঙ্গুরসহ আরও কয়েকজন। এই কাজের জন্য কাজী শাহরুল ও আজাদ হাজারীর কাছে চাঁদা দাবি করেন মাসুম বিল্লাহ্। অন্যথায় কাজ করতে পারবেন না বলে হুমকী দেন।


এনিয়ে রোববার সন্ধ্যায় ঘাটুরা এলাকায় মোঃ মহসিন খন্দকারের বাড়ির সামনে খন্দকার মার্কেটে বৈঠকের কথা ছিল। সে অনুযায়ী কাজী শাহরুল ওই বাড়িতে ঢোকামাত্র মাসুম বিল্লাহ্ ও তার সহযোগীরা কাজী শাহরুল ও মোঃ মহসিন খন্দকারকে মারধর করে ও তার অফিসে হামলা চালায়।
এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে কাজী শাহরুল ও মহসিন খন্দকারের কর্মী-সমর্থকরা রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ ও যান চলাচল বন্ধ করে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টা পর বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিলে রাত ৯টার ওই মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
সুহিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ হাজারী আঙ্গুর সাংবাদিকদের জানান, কাজী শাহরুল বৈঠকে ঢোকামাত্র মাসুম বিল্লাহ্ তার ওপর হামলা করে। আমরা তাকে গ্রেফতার ও তার অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।
সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ মহসিন খন্দকার এপিপি বাংলাকে বলেন আমরা কয়েকজন আমার অফিসে বসে কথা বলছিলাম হঠ্যাৎ মাসুম বিল্লাহ তার কিছু অনুসারী নিয়ে আমার অফিসে ডুকে অতর্কিত হামলা চালায় আমাকে সহ সুহিলপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগে সাধারণ সম্পাদক কাজী শাহারুল সহ কয়েক জনকে আহত করে ও আমার অফিসের আসবাবপত্র ভাঙ্গচুর করে।
সে আরো জানান গুরুতর আহত হওয়ায় কাজী শাহারুলকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকা রেফার করা হয়েছে।

এ ব্যপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি) মোঃ সেলিম আহাম্মেদ বলেন গতকালের মসসিন খন্দকারের অফিস ভাঙ্গচুর ও কাজী শাহরুল ও মহসিন খন্দকারকে মারধরের একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি তা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *