Wednesday, June 29, 2022
Home > আঞ্চলিক সংবাদ > এই দেশে রাজাকারের কোনো যায়গা নাই  — সাফায়েত আলম সানি

এই দেশে রাজাকারের কোনো যায়গা নাই  — সাফায়েত আলম সানি

 

খাদিজা আক্তার ভাবনা : নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সাফায়েত আলম সানি বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকার পাশাপাশি এখন সময়ের দাবি যুদ্ধাপরাধীদের সন্তান ও বংশধরদেরও একটা তালিকা করা। যুদ্ধাপরাধীদের সন্তান ও বংশদররা দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন রকম পেইজে অপপ্রচার করছে। স্বাধীনতা সার্বভৌমত্মকে বিনষ্ট করতে চাচ্ছে। আমাদের স্বাধীন পতাকাকে শকুনের মতো খামচে ধরতে চাচ্ছে। সেই রাজাকারদের চিহ্নিত করতে হবে। এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

রবিবার (১ ডিসেম্বর) বেলা ৩ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার ১১ দফা দাবিতে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সাফায়েত আলম সানি বলেন, কোটা সংস্কার আইনটি সঠিক হয়নি। প্রচলিত মেধাবীদের যে দাবি, আসলে তারা কতটুকু মেধাবী সে ব্যাপারেও আমার মন্তব্য আছে।

আপনারা জানেন বর্তমানে ঢাকা ভার্সিটির কোটা আন্দোলনে ভিপি নূর ও তার সহযোগীরা নিজেদের মেধাবী দাবি করে আসছে। তারা যে কতটুকু মেধাবী তা সবার জানা আছে।

মুক্তিযোদ্ধ মঞ্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার ১১ দফা দাবিগুলো হলো- ১। মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল করতে হবে এবং কমিশন গঠন করে কোটার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে। ২। বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে।

৩।১লা ডিসেম্বরকে জাতীয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি ও সরকারী ছুটি ঘোষণা করতে হবে। ৪। দুর্নীতিবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, শেয়ার বাজার লুটকারী, ঋণখেলাপী রাষ্ট্রের শত্রু। এদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।
৫। যুদাঅপরাধী ও তাদের বংশধরদের উপজেলা ভিত্তিক তালিকা দ্রুত প্রণয়ন করতে হবে। ৬। যুদাঅপরাধী ও তাদের বংশধররা যারা সরকারী চাকুরীতে বহাল আছে তাদের বরখাস্ত করতে হবে।

৭। যুদ্ধাঅপরাধী, স্বাীনতা বিরুধী ও তাদের বংশধরদেও সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পতি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ অনূকুলে বাজেয়াপ্ত করতে হবে। ৮। বিভিন্ন সময় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতকারী এবং বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযোদ্ধা ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটাক্ষকারীদের পাশ্চাত্যের হলোকাস্ট অ্যাষ্ট বা জেনোসাইড ডিনাইয়াল ল এর আদলে আইন করে রাষ্ট্রদ্রহী হিসেবে বিচার করতে হবে। ৯। কোটা সংস্কার আন্দোলনে উস্কানিদাতা ও গুজব সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে। কোটা আন্দোলনের নামে বিদেশী অনুদানে রাষ্ট্রবিরুধী ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ১০। তন্ত কমিটির রিপোর্ট দ্রুত প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে হামলাকারীদের চিহিনত করে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার করতে হবে।

১১। বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ পেইজ যেমন, কোটা সংস্কার চাই, বাঁশের কেল্লা, বিসিএস আওয়ার পোল’স, অপরাজেয় বাংলা, স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন গ্রুপ ও পেইজে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযোদ্ধম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কূটুক্তীকারী এবং এসব গ্রুপ ও পেইজের এডমিন মডারেটরদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে।

মানববন্ধন ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি নিশান ক্বাফি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান নান্নু, সাবেক প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান সজিব, সাবেক যুগ্নসম্পাদক রফিকুল ইসলাম রায়হান, আহমেদ হৃদয়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগের সংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুল আলম রকি, ডাব্লিউএটিও সভাপতি ফাহিম এমিল, নারায়ণগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ সভাপতি সৈয়দ রনি আলম, সহ সভাপতি ফরিদ হোসেন ফাহিম, সাধারন সমপাদক আল সামুন কায়সার, মহানগর মুক্তিযুদ্ধা মঞ্চ সভাপতি সৈকত বাপ্পী, সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন ঢালী,সাবেক ছাত্রলীগের নেতা মির সৃজন প্রমূখ।

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *