Saturday, September 26, 2020
Home > জাতীয় সংবাদ > মোবাইল কলচার্জ, নেট চার্জ ফ্রি চাইলেন ব্যারিস্টার সুমন

মোবাইল কলচার্জ, নেট চার্জ ফ্রি চাইলেন ব্যারিস্টার সুমন

এপিপি বাংলা : দেশের এই ক্রান্তি-লগ্নে সরকারি মোবাইল অপারেটরসহ সকল অপারেটরগুলোর কাছে কলচার্জ-এমবি চার্জ ফ্রি চাইলেন সোশ্যাল মিডিয়ার সরব মুখ ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সোমবার বিকেল ৩টা ২৮ মিনিটে তার ফেসবুক পেইজে লাইভে এসে তিনি এ দাবি জানান।

লাইভের শুরুতে সুমন বলেন, করোনায় সারা বাংলাদেশ লকডাউনে আছে। মৃত্যুর মুখোমুখি থেকে আমরা বলতে চাই, সরকারের নির্দেশনামত আমরা ঘরে থাকার চেষ্টা করেই যাচ্ছি। সবাই চেষ্টায় আছে, এই মহাজাগতিক দুর্যোগের মোকাবেলা কিভাবে করা যায়। কিন্তু এই ক্রান্তি-লগ্নে যারা ব্যবসার চিন্তা করে তারা আর যাইহোক বাংলাদেশের মানুষের বন্ধু হতে পারে নাই। আমি ফোন কোম্পানিগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমাদের তো বর্তমানে বাসায় কাজ নেই, বাচ্চারা চিল্লাচিল্লি করে। তাদের আনন্দ দেয়ার জন্য কার্টুন বা অন্য কিছুর ব্যবস্থা করতে হয়। নিজেদের জন্যও খবর দেখতে বা আত্ম বিনোদনের জন্য নেট দরকার। আমরা এখন ইন্টারনেটের উপর নির্ভর হয়ে গেছি। দেশের এই সময়টাতে কি আপনারা কলচার্জ ও এমবি চার্জ কমাতে পারেন না?

গ্রামীনফোনের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা তো ১২০০০ কোটি টাকার মধ্যে সরকারকে একহাজার কোটি টাকা দিতে কত নাটক করছেন। এখন দেশের এই শোচনীয় অবস্থায় কি এই কাজটা করতে পারেন না। আপনারা তো চ্যারিটির টাকা দিয়ে এই কোম্পানি গড়ে তুলেছেন। ব্যবসা আপনাদের চেয়ে কেউ ভালো বুঝে না। একটা মেসেজ দিয়ে কতভাবে টাকা কেটে নেন। লম্বা সময় না দেন, এক দুই মিনিটের জন্য তো ফ্রি করতে পারেন?

সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুমন বলেন বলেন, কোম্পানিগুলোর ট্যাক্স কমিয়ে কলরেট, এমবি রেট কমানোর ব্যবস্থা করেন। দেশের সবকিছু বন্ধ, একজন মানুষ কিভাবে টাকা রিচার্জ করবে?

উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৫ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৩০ জন ও নারী ৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের।

সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন প্রেসব্রিফিংয়ে আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান।

ফ্লোরা বলেন, ‘নতুন করে দেশে ৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২৩ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ জন মারা গেছেন। দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ১২ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৩ জন।’

তিনি আরও বলেন, ‘নুতন শনাক্তের মধ্যে ৪১-৫০ বছরের কোঠায় ১১ জন এবং ২১-৩০ বছরের কোঠায় আছেন ৬ জন। সারাদেশ শনাক্ত ১২৩ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ ঢাকা শহর ৬৪ জন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জে ২৩ জন এবং এরপরে মাদারীপুরে করোনায় শনাক্তের সংখ্যা বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের ১২ জন শনাক্ত হয়েছে।’

ডা. সেব্রিনা বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগেই দুদক পরিচালকের করোনা শনাক্ত করা হয়। এরপর তার সংস্পর্শে যারা এসেছিলেন তাদের কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়। বাকি দু’জন হাসপাতালে আনার পর মারা যান।’

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। এরপর দিনে দিনে সংক্রমণ বেড়েছে।

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *