Thursday, October 29, 2020
Home > জাতীয় সংবাদ > চামড়ার বাজারে ধস নামায় বঞ্চিত দুস্থরা ও এতিমখানাগুলো

চামড়ার বাজারে ধস নামায় বঞ্চিত দুস্থরা ও এতিমখানাগুলো

এপিপি বাংলা : অনেকটা নামমাত্র মূল্যে বিক্রি হয়েছে এবারের কোরবানির পশুর চামড়া। এতে বঞ্চিত হয়েছে এর মূল্যের দাবিদার দুস্থ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন আলেম সমাজ।
জানা যায়, এবার প্রকারভেদে প্রতিটি গরুর চামড়া ১০০ থেকে ৪০০ টাকা ও ছাগলের চামড়া ১০ টাকায় কেনা হয়েছে। তবে বড় গরুর চামড়া সর্বোচ্চ ৫০০ টাকায় নেয়া হয়।
এবার মৌসুমী ব্যবসায়ীদের তেমন দেখা যায়নি। মূল্য কম হওয়ায় অনেক কোরবানিদাতা চামড়া বিক্রি না করে মাদরাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দান করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গরুর চামড়া ১০০ টাকা (গাভী) থেকে ৪০০ টাকায় (ষাঁড়) বিক্রি হয়। তবে বড় সাইজের গরুর চামড়া (২৫-৩০ বর্গফুট) ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় কেনা হয়েছে। ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে, ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকায়। ভেড়ার চামড়ার দাম দেয়া হয়নি। বিক্রেতারা গরু বা ছাগলের চামড়ার সাথে ফ্রি দিয়ে গেছেন।
কেউ কেউ মন্তব্য করেন, চামড়া বিক্রি করে ভটভটি ভাড়ার টাকাও উঠেনি।
এদিকে, ঈদের দিন দুপুর থেকে চামড়া কেনাবেচা শুরু করেছেন পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী ও পোস্তার মালিকরা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও পাড়া-মহল্লার মৌসুমী ব্যবসায়ীরা চামড়া সংগ্রহ করে পুরান ঢাকার লালবাগের পোস্তায় নিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চামড়া সংগ্রহ শুরু করেছেন।
এদিকে চামড়ার বাজার ধস ও মূল্য কম হওয়ায় আলেম সমাজ ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। অনেক আলেম বলেছেন, চামড়ার বাজার দর না থাকায় এতিমখানা মাদরাসায় আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে।
এছাড়া এলাকার দুস্থরা চামড়ার টাকা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তারা চামড়ার মূল্য ধসরোধে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *