Wednesday, September 23, 2020
Home > আইটি > ইভ্যালির ব্যবসা পর্যালোচনায় ই-ক্যাবের ৭ সদস্যের কমিটি

ইভ্যালির ব্যবসা পর্যালোচনায় ই-ক্যাবের ৭ সদস্যের কমিটি

এপিপি বাংলা ই-কমার্স সাইট ইভ্যালির ব্যবসা পদ্ধতি পর্যালোচনা করতে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব)। সম্প্রতি ই-ক্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি সম্পর্কে পত্রিকায় প্রতিবেদন এবং বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের তথ্য চাওয়ার আলোকে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ই-ক্যাব এ তথ্য জানিয়েছে। বলা হয়েছে, কমিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার জন শিক্ষক ও ই-ক্যাবের একজন প্রতিনিধি  রয়েছেন। এদের মধ্যে দু’জন পেমেন্ট বিষয়ে, একজন আর্ন্তজাতিক ব্যবসায়, একজন ই-কমার্স স্ট্র্যাটেজিস্ট ও একজন ই-কমার্স গবেষক রয়েছেন। এছাড়া একজন আইনজ্ঞ এই কমিটিতে যুক্ত হয়েছেন।

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের (আইআইটি) সহযোগী অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন, ঢাবি মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাফি উদ্দীন আহমেদ, আইবিএ’র সহযোগী অধ্যাপক মো. ইফতেখারুল আমিন, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সূবর্ণ বড়ুয়া, অ্যাসিসিফিনট্যাক্স’র ফাউন্ডার অ্যান্ড পার্টনার ফায়সাল মাহমুদ সজিব, শাওন নোবেল অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটের ব্যরিস্টার শাওন এস নোবেল এবং ই-ক্যাব রিসার্চ স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান সাদরুদ্দীন ইমরান।

ই-ক্যাব জানিয়েছে, এরই মধ্যে কমিটি দুই-দফা বিভিন্ন কৌশলগত সভা করেছে। দুয়েকদিনের মধ্যে কমিটির সদস্যরা ইভ্যালি অফিস পরিদর্শন করবেন, ইভ্যালির সঙ্গে কৌশলগত আলোচনা করবেন এবং কমিটি আগামী ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেশ করবেন। বিশেষ করে ইভ্যালির ব্যবসায় পদ্ধতি, এমএলএম সাম্ভাব্যতা, বিভিন্ন অফারের আইনি দিক এবং ক্রেতা-ভোক্তাদের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। এছাড়া এই কমিটিকে সহযোগিতা করার জন্য ই-ক্যাবের পাঁচ সদস্যের একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিভিউ কমিটির প্রতিবেদনকে যাচাই-বাছাই শেষে পর্যালোচনা কমিটি সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠাবে।

ইক্যাব আরও জানিয়েছে, যেকোনো পরিস্থিতিতে ই-ক্যাব সবার কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করছে। প্রত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত কার্যক্রমকে ই-ক্যাব স্বাগত জানায়। এজন্য সরকারি সব প্রতিষ্ঠানকে ই-ক্যাব সব ধরনের সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত। কিন্তু তদন্ত চলাকালীন কোনোরকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ই-ক্যাব কোনোভাবেই সমর্থন করে না।

ই-ক্যাব তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানদের দেশের আইন, সরকারি বিধান, কোম্পানি আইন, ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা, প্রতিযোগিতা কমিশনের বিধিমালা, ভোক্তা অধিকার আইন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা, বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সংক্রান্ত বিধি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিধিবিধান ও ই-ক্যাবের নিয়মনীতি মেনে চলে ক্রেতা সাধারণের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে ব্যবসা করার আহ্বান জানিয়েছে।

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *