Friday, October 30, 2020
Home > আন্তর্জাতিক > তরুণদের টিকা পাওয়ার সময় জানালো ডব্লিউএইচও

তরুণদের টিকা পাওয়ার সময় জানালো ডব্লিউএইচও

এপিপি বাংলা : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, তরুণ ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারীদের করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য টিকা পেতে হয়ত ২০২২ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি আয়োজনে সংস্থাটির প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন এই তথ্য জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এখবর জানিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তা জানান, টিকা তৈরি হলে সংক্রমিতরা ছাড়াও অগ্রাধিকার পাবেন স্বাস্থ্যকর্মী বা মহামারির যুদ্ধে যারা একেবারে সামনে থেকে লড়াই করছেন। বয়স্কদেরও এই টিকা আগে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

সৌম্যা জানান, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা, বয়স্ক বা করোনার ঝুঁকি বেশি রয়েছেন এমন গোষ্ঠীকে সবার আগে প্রতিষেধক দেওয়ার চেষ্টা করা। এক্ষেত্রে সুস্থ-সবল তরুণদের হয়তো আরও বছর দুয়েক অপেক্ষা করতে হতে পারে।

ডব্লিউএইচও কর্মকর্তা বলেন, বেশিরভাগ মানুষ এ কথা মানবেন যে, স্বাস্থ্যকর্মীদের দিয়েই প্রতিষেধক দেওয়া  শুরু করা উচিত। এছাড়া যারা সরাসরি করোনার বিরুদ্ধে লড়ছেন সেই ফ্রন্টলাইন ওয়াকার্সদেরও এই টিকার প্রয়োজন বেশি। যদিও তাদের মধ্যে কারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন, তাও খেয়াল রাখতে হবে। বয়স্ক বা অন্যান্যরা এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। ফলে করোনার প্রতিষেধকের জন্য একজন সুস্থ কমবয়সীকে হয়তো ২০২২ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

টিকা ছাড়া ‘হার্ড ইমিউনিটি’-র মাধ্যমে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমর্থন নেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। সংক্রমণ রুখতে ‘হার্ড ইমিউনিটি’-তে ভরসা রাখলে প্রাণহানিরও আশঙ্কা থাকে। এ বিষয়ে সৌম্যা বলেন, “অনেকে ‘হার্ড ইমিউনিটি’-র কথা বলেন। কিন্তু আমাদের প্রতিষেধকের মাধ্যমে সেই লক্ষ্যে পৌঁছনোর কথা বলা উচিত। অন্তত ৭০ শতাংশের মধ্যে প্রতিষেধক দিয়ে সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙার কথা ভাবতে হবে।”

যত দিন পর্যন্ত ‘হার্ড ইমিউনিটি’ অর্জিত না হচ্ছে, তত দিন মাস্ক পরা, বার বার হাত ধোওয়া বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য বিধি মেনে করোনাকে দূরে ঠেলে রাখায় জোর দিতে হবে বলেও মনে করেন ডব্লিউএইচও’র এই কর্মকর্তা।

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *