Friday, September 17, 2021
Home > জাতীয় সংবাদ > আইবিএস (IBS) ভাল হয় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার বিস্তারিত

আইবিএস (IBS) ভাল হয় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার বিস্তারিত

আইবিএস (IBS) -পুরাতন আমাশয়, ডায়রিয়া,কোষ্ঠকাঠিন্যের লক্ষণ যুক্ত যন্ত্রণাদায়ক রোগ – কিন্তু এসব সমস্যা ভালো হয় হোমিও চিকিৎসায়।

এটি মূলত রোগ নয়, কিছু কষ্টকর উপসর্গ বা সিন্ড্রোমের সমাহার বলা যেতে পারে। পেট কামড়ানো, পেটফাঁপা, কখনও পাতলা পায়খানা, কখনও পায়খানা কষে যাওয়া—এসব হল আইবিএস-এর উপসর্গ।সাধারণত ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সে আইবিএস-এর উপসর্গ প্রথমবার দেখা যায়। প্রায়শই চাপের সময়ে বা নির্দিষ্ট কিছু খাবার খাওয়ার পরে উপসর্গগুলো দেখা যায়। কারোর উপসর্গের তীব্রতা বেশি, কারোর কম। অধিকাংশ মানুষ হয় ডায়রিয়া না হয় কোষ্ঠকাঠিন্য, অথবা বা দু’ইয়েই ভোগেন। এছাড়াও মলের মধ্যে শ্লেষ্মা বা আম থাকতে পারে।
দেখা যায় মলত্যাগ করার পর পেট কামড়ে ব্যথা হয়। সাধারণত খাওয়ার পর উপসর্গগুলো দেখা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে উপসর্গের তীব্রতা বাড়ে, ২-৪ দিন এমন চলে, তারপর কষ্ট কমে, কিন্তু একেবারে ভালো হয়ে যায় না।
আইবিএস-এর যে উপসর্গগুলো বেশি দেখা যায়, সেগুলো হল—
=> পেটে ব্যথা, পেট কামড়ানো—পায়খানা করলে কষ্ট কমে
=> পায়খানায় পরিবর্তন—ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, কখনো দুইটাই পর্যায়ক্রমে
=> পেট ফাঁপা
=> পেটে বেশি গ্যাস হওয়া, বেশি বাতকর্ম হওয়া
=> হঠাৎ করে শৌচাগারে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করা, যেতে তর সয় না
=> পায়খানা করে আসার পরপর-ই আবার পায়খানা পাওয়া
=> পায়খানা করে পেট পরিষ্কার হল না—এমন মনে হওয়া
=> মলদ্বার দিয়ে আম যাওয়া।
=> আইবিএস-এর জন্য যে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়, তার জন্য রোগী অনেক সময় অবসাদ বা উদ্বেগে ভোগেন।

কেন হয় এমন রোগ ?

মূল কারণ আজও অজানা। তবে
=> পূর্বপুরুষদের মধ্যে যদি এমন রোগের ভুক্তভোগী থাকেন, তবে সেক্ষেত্রে আপনার হবার সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দেয়া যায় না, অর্থাৎ বংশগত কারণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
=> আপনাকে যদি অতিরিক্ত অবসাদগ্রস্ততা বা দুশ্চিন্তা গ্রাস করে থাকে, তবে আপনার পেটের এই সমস্যা হতেই পারে।
=> গ্যাস্ট্রো ইন্টেস্টাইনাল ইনফেকশান, যা কিনা জল, খাবার বা অন্য যেকোনো কারণে পেটের সংক্রমণ থেকে হয়ে থাকে, এ ধরনের ইনফেকশানজনিত কারণেও পেটের এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আইবিএস- প্রধানত তিন ধরণের হয়ে থাকে।
১। ডায়রিয়া প্রধান আইবিএস।
২। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রধান আইবিএস।
৩। ডায়রিয়া-কোষ্ঠকাঠিন্য মিশ্র আইবিএস।

সব সময় যে একজন একই ধরনের উপসর্গে ভুগবেন এমন না নয়, উপসর্গ বদলাতে পারে, এমনও হতে পারে যখন দীর্ঘ সময় ধরে কোন উপসর্গ নেই বা অল্প উপসর্গ আছে।
এর চিকিৎসার জন্য এলোপ্যাথিতে মূলত কিছু উপশমকারক ঔষধ ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু একে পুরুপুরি নির্মূল করার কার্যকর এলোপ্যাথিক ঔষধ এখনও আসে নি। তবে কিছু ক্ষেত্রে মানুষিক সিম্পটোম দেখে ট্রিটমেন্ট দিলে উপকার পাওয়া যায় তবে এতে ক্ষতির আশংক্ষা থেকে যায়।
তবে হোমিওপ্যাথিতে এর বেশ কার্যকর চিকিৎসা রয়েছে। উপসর্গসমূহ ভালোভাবে পর্যালোচনা করে এবং রেপার্টাইজেশন করে ট্রিটমেন্ট দিলে সময়ের ব্যবধানে এই সমস্যা দূর হয়ে যায়। তবে এক্ষেত্রে রোগী এবং ডাক্তার দুইজনেরই ধৈর্য প্রয়োজন।

যে কোন ধরনের পরামর্শ ও চিকিৎসার যোগাযোগের জন্য
আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

ডাঃ আয়েশা রাইসুল
খান ক্লাসিকাল হোমিওপ্যাথি
উওর কাজীপারা,কাফরুল, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬.
০১৯১৬-০২৩৫৭১, ০১৯৭৬০২৩৫৭২

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *