Monday, March 4, 2024
Home > বিশেষ সংবাদ > ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ৫ দিনব্যাপী ‘সামার স্কুল অব হিউম্যান রাইটস’ শুরু

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ৫ দিনব্যাপী ‘সামার স্কুল অব হিউম্যান রাইটস’ শুরু

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) ও ভারতীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নলেজ স্টিজ-এর সম্মিলিত আয়োজনে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আজ থেকে শুরু হয়েছে ৫ দিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল সামার স্কুল অব হিউম্যান রাইটস’ কর্মসূচী। গতকাল রোববার (১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ মিলনায়তনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর প্রধান উপদেষ্টা মে. জে. ফেরদৌস মিয়া (অব.)-এর সভাপতিত্ত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যঅশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, নলেজ স্টিজের প্রতিষ্ঠাতা ও গ্যালগোটিয়া ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক নীতেশ কুমার উপাধ্যায়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী ডিন অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর পরিচালক (প্রশাসন) ব্যারিস্টার রিজওয়ানা ইউসুফ।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ১-৫ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই আন্তজার্তিক সামার স্কুল প্রোগ্রামে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছেন। শিক্ষার্থীরা এই পাঁচ দিনে মানবাধিকার বিষয়ক বিভিন্ন কর্মশালা ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করবেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, প্রথমবারের মতো এ ধরনের একটি সময়পোযোগী কর্মসূচির আয়োজনের অংশীদার হতে পেরে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় গর্ববোধ করছে। কারণ সারা পৃথিবীতেই মানবাধিকারের সংকট চলছে। আমরা যতই আধুনিক হচ্ছি ততই যেন মানবাধিকারের চর্চা থেকে পিছিয়ে পড়ছি। এই দুরবস্থার দায় শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর বর্তায় বলে অভিমত ব্যক্ত করেন ড. মো. সবুর খান। তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের সন্তানদেরকে যথেষ্ট মানবিকরূপে গড়ে তুলতে পারছে না। এ অবস্থার পরিবর্তনে সম্মিলিতভাবে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ড. মো. সবুর খান।
সভাপতির বক্তব্যে মে. জে. ফেরদৌস মিয়া (অব.) বলেন, ইসলাম ধর্মের মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) সারাজীবন মানবতার জন্য ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি তাঁর অনুসারীদেরকেও মানবাধিকার রক্ষার কথা বলে গেছেন। পবিত্র কোরান শরীফেও বারবার মানবাধিকারের প্রসঙ্গটি এসেছে। তাই ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) নানা ধরনের স্বেচ্ছাসেবী কর্মকা-ের পাশাপাশি মানবাধিকার নিয়েও কাজ করছে। মানবাধিকার বিষয়ক সামার স্কুলের আয়োজন সেসব কর্মসূচিরই একটি অংশ বলে জানান তিনি। মে. জে. ফেরদৌস মিয়া (অব.) বলেন, আমাদের তরুণ শিক্ষার্থীদেরকে মানবাধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে। কারণ তাদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে একটি বাসযোগ্য নিরাপদ পৃথিবী, যেখানে প্রতিটি মানুষ তার অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবে। সুতরাং আজকের তরুণরা যদি মানবাধিকার সম্পর্কে সঠিক শিক্ষা না পায় তবে তাদের কাছ থেকে মানবিক পৃথিবী আশা করা বোকামী হবে। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদেরকে মানবিক পৃথিবী গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *