Monday, February 26, 2024
Home > জাতীয় সংবাদ > শপথ নিলেন মোকাব্বির

শপথ নিলেন মোকাব্বির

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা: সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে এবার শপথ নিলেন গণফোরামের মোকাব্বির খান (সিলেট-২)। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে তিনি শপথ নেন।
ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠানে চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী , হুইপ ইকবালুর রহিম, হুইপ মাহবুব আরা বেগম গিনি, হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, আবদুল লতিফ, আবদুস সোবহান গোলাপ এবং আব্দুস সালাম মুর্শেদী উপস্থিত ছিলেন।
শপথ গ্রহণ শেষে মোকাব্বির খান এমপি রীতি অনুযায়ী শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
এর আগে শপথের আয়োজন করতে সোমবার স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরীকে চিঠি দেন মোকাব্বির। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে গণফোরাম কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) আফসারি আমিন আহমেদ সংসদে চিঠিটি নিয়ে যান।
গণফোরামের প্যাডে পাঠানো ওই চিঠিতে নির্বাচিত এমপি বলেন, ‘আমি ও আমার দল এপ্রিল ২ অথবা ৩ তারিখে শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
মোকাব্বির জানান, দলের সভাপতিম-লীর সদস্যদের সিদ্ধান্তে তিনি চিঠি পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দলের নেতা ও এর প্রেসিডেন্ট ড. কামাল হোসেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন।’
এক প্রশ্নের জবাবে মোকাব্বির জানান, শপথ নিতে ড. কামাল হোসেন তাকে ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ‘পাশাপাশি আমার সংসদীয় আসনের জনগণও আমাকে শপথ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।’
এর আগে গত ৭ মার্চ এমপি সুলতান মোহাম্মাদ মনসুর (মৌলভীবাজার-২) একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন। শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই মনসুরকে বহিষ্কার করে গণফোরাম।
তারও আগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ শপথ আয়োজনের অনুরোধ জানিয়ে ৩ মার্চ পৃথকভাবে স্পিকারের কাছে চিঠি পাঠান গণফোরামের দুই সংসদ সদস্য। তবে ওইদিন শপথ নেননি মোকাব্বির খান।
গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্লাটফর্মে বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন গণফোরামের মনসুর। অন্যদিকে মোকাব্বির খান সিলেট-২ আসন থেকে গণফোরামের প্রতীক ‘উদীয়মান সূর্য’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন।
বিএনপি ও গণফোরামসহ আরো কয়েকটি দল জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়। নির্বাচনে বিএনপি ছয়টি আসনে এবং গণফোরাম দুটি আসনে বিজয়ী হয়।
তবে ‘ব্যাপক ভোট ডাকাতির’ অভিযোগ এনে জোট নির্বাচনের ফলাফল বর্জন করে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে।
ঐক্যফ্রন্টের আট এমপির অংশগ্রহণ ছাড়াই গত ৩০ জানুয়ারি নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *