Wednesday, October 20, 2021
Home > আঞ্চলিক সংবাদ > স্মার্ট কার্ড বিতারণে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি

স্মার্ট কার্ড বিতারণে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি

 

এপিপি বাংলা : স্মার্ট কার্ড বিতারণে ছাত্রলীগের নেতাদের চাঁদাবাজি অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। গতকাল বিজয়নগর উপজেলার ৫নং হরষপুর ইউনিয়ন বাগদিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বাগদিয়া গ্রামে স্মার্ত কার্ড বিতারণ এর সময় খাবারের অস্থায়ী দোকান, সীম কার্ড বিক্রি স্টল, কম্পিউটার, ফটোকপি ও লেমিনেশন দোকান বসলে তাদের কাছে দোকান প্রতি ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা চাঁদা দাবী করে কয়েকজন উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা। কয়েকটি দোকানে কিছু টাকা দিলেও কয়েকটি দোকানে চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্থানীয় ও উপস্থিতি লোকজন এর মধ্যে জনাজানি হয়। এই সময় উপস্থিতি সবাই প্রতিবাদ করলে সেই ছাত্রলীগ নেতারা দৌড়িয়ে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয় উপস্থিত সবাই জানায়।

এই ব্যপারে স্থানীয় জুবায়ের নামে একজন বলে পাইকপাড়া গ্রামের ও বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ এমদাদ, (একেই গ্রামের) উপজেলা ছাত্রলীগের  সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাব্বির আহাম্মেদ শিব্বির,উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোঃ মাসুম ও বুল্লা গ্রামের উপজেলা ছাত্রলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মোঃ সুমন মিয়া অনেক মানুষের সমাগম উপলক্ষে অস্থায়ী দোকান গুলোতে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবী করলে কয়েকজন দোকানদার চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা চাপ প্রয়োগ করে দোকান উঠিয়ে দিতে চাইছিল। তখন আমরা উপস্থিতি সবাই এই চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করি।

এব্যাপারে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ মধু মিয়া বলে আমি ভিতরে ছিলাম কয়েকজন ছেলেরা চাঁদা নিচ্ছে শুনে বাহিরে গেলে তারা দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়। তখন আমি সবাইকে বলি যাতে কাউকে চাঁদা না দেয়। আবার আসলে আটক করে আমাকে জানাতে।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ মাহবুব হোসেন বলেন আমি বিষয় শুনেছি।সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সাথে কথা বলে যদি কেউ এমন কিছু করে থাকে তাহলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করব।
উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সফিকুর রহমান রাজভী বলেন যারা চাঁদাবাজি করতে গেছে তারা সংগঠনের কেউ না,ছাত্রলীগ এই অপকর্মের দায়ভার নিবে না।
এই ব্যপারে উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমদাদ সাগর বলেন আমি ঘটনাটি শুনেছি।তাদের নির্ষেধ করেছি আর যাতে না যায়।ছোট ভাইদের বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি না করারও অনুরুধ করেন এমদাদ সাগর।

এই ব্যপারে অভিযুক্ত সাব্বির আহাম্মেদ শিব্বির বলেন আমরা চাঁদাবাজি করেনি,সকাল থেকে দুপুর তিনটা পর্যন্ত সেখানে ছিলাম কেউতো তখন কিছু বলেনি? আপনাকে কে বলেছে? বললেই কি আপনি নিউজ করতে হবে? বলে সে প্রতিবেদক কে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। এক পর্যায়ে সে নিজেকে ছাত্রলীগের প্রভাবশালী নেতাও দাবী করেন।
আরেক অভিযুক্ত সুমন বলেন আমি ছিলাম না। আমি থানায় একটি দরবারে চলে গেছিলাম।শিব্বির ভাই বিস্তারিত বলতে পারবে।

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *