Sunday, September 19, 2021
Home > রাজনীতি > দূর্দিনের “কায়সার মাহমুদ”কে উত্তর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক পদে দেখতে চাই দলের ত্যাগি নেতারা

দূর্দিনের “কায়সার মাহমুদ”কে উত্তর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক পদে দেখতে চাই দলের ত্যাগি নেতারা

 

এস এম জীবন: কায়সার মাহমুদ তিনি ব্যাক্তি জীবনে অত্যন্ত বিনয়ী, মিশুক, সংস্কৃতিমনা, সুন্দর আচরণ ও ভালো চরিত্রের অধিকারী। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হয়ে রাজপথের আন্দোলনে সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে নিজেকে প্রমানিত করেন এবং সময়ের পরিক্রমায় রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তিনি খুবই জনপ্রিয় একজন তরুন নেতা হিসেবে ইতিমধ্যে তিনি উপনীত হয়েছেন।

অত্যান্ত ক্লিন ইমেজের এই তরূণ নেতা যিনি সংগঠনের প্রতি দায়বদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর আর্দশ বুকে ধারন করে জননেত্রী শেখ হাসিনার দর্শন বাস্তবায়ন করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন মহল থেকে তাকে যুবলীগের আসন্ন ৭ম কংগ্রেসে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে রাখার জোড়ালো দাবী উঠেছে।

বিভিন্ন মহল থেকে জানা যায়, তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একজন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে ১৯৯৯ সালে ঢাকার ২১নং ওয়ার্ডের আওয়ামী যুবলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হন। অতঃপর তার কর্মীবান্ধব সাংগঠনিক দক্ষতা, দলীয় নিয়ম রিতিনীতি মেনে চলে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যাপক ভূমিকা রাখায় ২০০৫ সালে যুবলীগের সম্মেলনে তিনি ২১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।

১/১১ সরকারের সময় যেদিন জননেত্রী শেখ হাসিনা-কে গ্রেপ্তার করা হয় সে দিন তিনি এর প্রতিবাদে ব্যাপক লোক সমাগম করে মিছিল করতে গিয়ে গুলশান থেকে গ্রেপ্তার হয়ে তৎকালীন সরকার কতৃক ব্যাপক শারিরীক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। একাধিক মামলা দিয়ে তাকে চরম হয়রানী করা হয়। তবুও তিনি মুজিব অাদর্শ থেকে সরে অাসেননি।

তার ব্যাপক জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে বিএনপি-জামাত জোট সরকার তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করে বহুবার হামলা চালিয়ে তার বহু ক্ষয়ক্ষতি করে। তবুও অান্দোলন সংগ্রাম থেকে তিনি পিছিয়ে থাকেননি। বিরোধী দলে থাকাকালিন সময়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে অবরোধে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে গুলিস্তান থেকে তিনি গ্রেফতার হন। মামলা, হামলা, কারাবাসের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিকভাবে বারবার নির্যাতিত হয়েও তিনি যুবলীগকে ঐক্যবদ্ধ রেখে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করায় সিনিয়র নেতৃবৃন্দের কাছে ব্যাপক প্রশংসীত হন ও তাদের অত্যান্ত আস্থাভাজন হয়ে উঠেন।

২০১২ সালে তিনি বাড্ডা থানা যুবলীগের আহবায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন। সমাজ উন্নয়নকল্পে জননেত্রী শেখ হাসিনার ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তিনি এখনও একক ও যৌথভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে নিরলসভাবে রাত দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এছাড়াও, সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ ও পরিকল্পনা সমূহ প্রচারের উদ্দেশ্যে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়া সহ বিটিভি ও বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারের জন্য ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান, গান, নাটকে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাকে বহুবার বহু সম্মাননায় ভূষিত করেছেন।

খবর নিয়ে জানা যায়।
জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে যেভাবে নির্দেশনা দিতেন তিনি সেভাবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতেন। মেধা, অত্যাধিক শ্রম ও দক্ষতা দিয়ে তিনি যুবলীগকে একটি অত্যান্ত শক্তিশালী গ্রহনযোগ্য অবস্থানে নিয়ে অাসেন। তাঁর কর্মীবান্ধব রাজনীতি, যে কারও বিপদে অাপদে এগিয়ে এসে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার প্রবনতা,
যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া, জঙ্গী ও মাদক বিরোধী বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া, সভা, সেমিনারের আয়োজন, খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা, বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা, গরীব এতিম ও দুঃস্থদের সহায়তা সহ মানুষের অধিকার রক্ষায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে তিনি সকলের প্রিয় ও অাস্থাভাজন ব্যাক্তিত্বে উপনীত হয়েছেন।

বর্তমানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বাড্ডা থানা যুবলীগের আহবায়ক কায়সার মাহমুদ খুবই জনপ্রিয় একজন নেতা। তাই আসন্ন যুবলীগের ৭ম কংগ্রেসে “কায়সার মাহমুদ” কে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে রাখার জোড়ালো দাবী জানিয়ে ত্যাগি ও সাধারণ নেতারা বলেন, এখনই যুগোপযোগী সময়, দলপ্রেমী ও ত্যাগিনেতা “কায়সার মাহমুদ” কে তার সঠিক সময় সঠিক মূল্যায়ন করা।

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *