Wednesday, October 20, 2021
Home > রাজনীতি > যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যুবলীগ নেতা সর্দার মোহাম্মদ আলী মিন্টুর স্ট্যাটাস ভাইরাল!

যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যুবলীগ নেতা সর্দার মোহাম্মদ আলী মিন্টুর স্ট্যাটাস ভাইরাল!

 

এপিপি বাংলা : যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে সামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মইনুল হোসেন নিখিলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সাবেক ছাত্রনেতা ও কেন্দ্রিয়  যুবলীগের সদ্য সাবেক সদস্য সর্দার মোহাম্মদ আলী মিন্টুর স্ট্যাটাস ভাইরাল! ওয়ার্ড,ইউনিয়ন থেকে কেন্দ্রিয় কমিটির ত্যাগী নেতা কর্মীদের শেয়ার,সমর্থন ও স্ট্যাটাসটির মূলবিষয়টি আমলে নিয়ে বাস্তবায়নের দাবীর জানাচ্ছে সবাই।তার ফেজবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হল।

,,,, দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমার প্রান প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নবনির্বাচিত মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব শেখ ফজলে সামস্ পরশ ও
সাধারণ সম্পাদক জনাব মইনুল হোসেন খান নিখিল ভাইয়ের প্রতি।
আপনাদের সদা সতর্কতা ই পারে যুবলীগের সুনাম ফিরিয়ে আনতে। একটু ভুল সিদ্ধান্ত একটি সুসংগঠিত সংগঠন কে পারে ধবংস করে দিতে।

যুবলীগের বিগত কমিটিতে অনেক বাস্তব ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাক্ষী আপনারা এবং আমরাও।

আমার দেখা মতে, একজন দক্ষ সংগঠক জনাব ওমর ফারুক চৌঃ। ওনাকে ধুলায় মিশিয়ে দিয়েছে মাত্র গুটিকয়েক অর্থলোভী চক্র। আর এ চক্রের নেতৃত্ব দিয়েছিলো, পিয়ন থেকে দফতর, বহিস্কৃত কাজী আনিস। আনিস তার কৃতকর্মের জন্য পালাতক।

আনিস পালিয়ে বেচে গিয়েছে। কিন্তু সারা বাংলাদেশে বদনাম হয়েছে যুবলীগের। সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা,, বাংলাদেশ সরকারের,, সমালোচনা হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী শেখ পরিবারের, সমালোচনা গোপালগঞ্জ এর মানুষের। এ লজ্জা রাখার জায়গা খুজে পাইনি এখনো।।

এখনো দেখছি কাজী আনিসের একান্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী, গ্রাম থেকে গিয়ে হঠ্যাৎ নেতা বনে যাওয়া শ্যামল রায়, নিয়ন খান, বাইট্টা মজিবুর, বাবলুরা আবার ও সক্রিয় হচ্ছে।। এই চক্ররা সারা দেশে চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাজী, দলবাজি করেছে। সারা দেশে যুবলীগের পদপদবী বানিজ্য করেছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে।। লাখ টাকা থেকে কোটি টাকা,,। ইউনিয়ন থেকে কেন্দ্রীয় কমিটি সব জায়গাতে।।

যুবলীগের সদ্য সাবেক কেন্দ্রিয় নেতা সর্দার মোহাম্মদ আলী মিন্টু।

যুবলীগের যে দফতর নিয়ে এত সমালোচনা, সেই জায়গাটাতে কি করে অবাধে এখনো কাজ করে যাচ্ছে কাজী আনিসের বিশ্বস্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী। দূর্নীতি বাজদের লম্ফঝম্প দেখে অবাক হচ্ছি।

কিছুদিন চুপ করে বসে আছি আর পর্যবেক্ষণ করছি, কিন্তু থেমে যায় নি।

দূর্নীতির বিরুদ্ধে আবারও কলম যুদ্ধ শুরু করলাম। জানি হয়তো আমাকে জীবন দিতে হতে পারে। নিজের বিবেকের কাছে আমি অটল।

আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক।
আমি শেখ হাসিনার কর্মী,
আমি মুক্তি যোদ্ধা পরিবারের সন্তান।
আমি গর্বিত যুবলীগের সামান্য কর্মী হতে পেরে।

ছোট বেলা থেকে জয়বাংলার শ্লোগান মনে ধারন করেছি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর বক্তব্যে শুনি দূর্নীতি বিরোধী কথা, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার দূর্নীতি বিরোধী যুদ্ধ ঘোষনা,। তখন আশান্বিত হয়েছি।

যুবলীগের তথা আওয়ামীগের বদনাম করবে, তাদের কে কোনভাবেই ছাড় দিবোনা। ইনশাল্লাহ।

যুবলীগের মাননীয় চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে বিশেষ অনুরোধ করছি, এসব দুস্কর্ম যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে এ্যাকশনে যান, আমরা আপনাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করবো।

সারা বাংলাদেশের যুবসমাজ আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আশা করি সবদিক বিবেচনা করে একটি সুসংগঠিত, সুন্দর, মেধাবী ও রাজপথের ত্যাগী নেতাদের দিয়ে এবারের কমিটি উপহার দিবেন।

আপনাদের মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। ( চলবে),,,,,,,

জয়বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
জয়তু শেখ হাসিনা।

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *