Tuesday, January 25, 2022
Home > আন্তর্জাতিক > এখনও ভেন্টিলেশন সাপোর্টে প্রণব মুখোপাধ্যায়

এখনও ভেন্টিলেশন সাপোর্টে প্রণব মুখোপাধ্যায়

এপিপি বাংলা : ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকদের ৯৬ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণ কাল শেষ হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দিল্লির আর্মি রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেল (আর অ্যান্ড আর) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে তার গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলো স্থিতিশীল রয়েছে। প্রণবের ছেলে ও কংগ্রেসের সাবেক আইনপ্রণেতা অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, বাইরের উদ্দীপক এবং চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন তার বাবা। সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ১০ আগস্ট পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পান প্রণব। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লির ক্যান্টনমেন্ট সেনা হাসপাতালে। মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি তার করোনা পরীক্ষা করা হয়। তাতে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। অস্ত্রোপচারের পর প্রণব মুখোপাধ্যায়কে রাখা হয় নিবিড় পর্যবেক্ষণে। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হলে বৃহস্পতিবার এক টুইট বার্তায় চরম বিরক্তি প্রকাশ করেন তার ছেলে প্রণব মুখোপাধ্যায়।
তবে শুক্রবার বাবার শারীরিক অবস্থা জানিয়ে করা আরেকটি টুইট বার্তায় প্রণবের একটি উদ্ধৃতি তুলে ধরেন অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, “৯৬ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণ আজ শেষ হচ্ছে। বাবার গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলো এখনও স্থিতিশীল থাকা অব্যাহত আছে। আর তিনি বাইরের উদ্দীপক ও চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। আমার বাবা সব সময়ই বলতেন, ‘ভারতের মানুষকে যা দিতে পেরেছি তার চেয়ে বেশিই ফেরত পেয়েছি।’ তার জন্য প্রার্থনা করুন।”
শুক্রবার দিল্লির আর অ্যান্ড আর হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা আজ সকালে অপরিবর্তিত রয়েছে। তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রয়েছেন।
প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে এবং কংগ্রেস নেতা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায় আরেক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, তার বাবার অবস্থা আর খারাপ হয়নি। তিনি লেখেন, ‘মেডিক্যাল পরিভাষা না বুঝলেও গত দুই দিনে আমি বুঝতে পেরেছি আমার বাবার অবস্থা গুরুতর থাকলেও তার চেয়ে বেশি খারাপ হয়নি। আলোর প্রতি সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে চোখে খানিক উন্নতিও হয়েছে।’

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *