Wednesday, August 4, 2021
Home > খেলাধূলা > মেয়ের সুখবরে ফুরফুরে মেজাজে সাকিব

মেয়ের সুখবরে ফুরফুরে মেজাজে সাকিব

এপিপি বাংলা : গেল কয়েকটা দিন ঝড় বয়ে গেল বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের উপর।

ঘরোয়া লিগ ডিপিএলে মোহামেডানের নেতৃত্ব কাঁধে নিলেও নিজেকে উজার করে দিতে পারছিলেন না।

নামের সুবিচার করতে পারছিলেন না। এরইমধ্যে বায়ো বাবল সুরক্ষার নিয়ম ভেঙে হয়েছেন বিতর্কিত। ক্ষমা চেয়ে শাস্তিও এড়িয়েছেন।

সেই রেশ কাটার আগেই গত শুক্রবার আবাহনীর বিপক্ষে ম্যাচে ঘটালেন অবিশ্বাস্য কাণ্ড।

স্টাম্প ভেঙেছেন লাথি মেরে, আম্পায়ারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন, উইকেট উপড়ে ফেলেছেন। এর জন্য শাস্তিও পেয়েছেন। নিষিদ্ধ হয়েছেন তিন ম্যাচে। জরিমানা গুনবেন পাঁচ লাখ টাকা।

এমন সব দুঃসংবাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মন ভালো লাগার বার্তা ভেসে এলো।  প্রচণ্ড তাপদাহে হঠাৎ মেঘ করে বৃষ্টির মতো খবর।

তার বড় মেয়ে আলাইনা হাসান অব্রি কিন্ডারগার্টেন পাস করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে একে বলা হয় ‘কিন্ডারগার্টেন থেকে স্নাতক’ হওয়া।

এমন খবরে যে কোনো বাবাই গর্বিত হন। মিষ্টি বিতরণ করেন। সন্তানের জন্য উপহার নিয়ে কোলে তুলে নেন।

কিন্তু কয়েক হাজার মাইল দূরে থেকে মেয়ে আদর করে চুমু খেতে পারছেন না সাকিব। তবে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ফুরফুরে মেজাজেই রয়েছেন।

যে জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়ের এই সুখবরের কথা ভক্তদের জানিয়েই মন ভরেছেন তিনি।

মঙ্গলবার নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে সন্তানের শিক্ষাপর্বের প্রথম ধাপ পেরোনোর লগ্নে সাকিব লিখেছেন, ‘কিন্ডারগার্টেন থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করার জন্য আমার বড় মেয়েকে অভিনন্দন। আমি দুঃখিত, এমন স্মরণীয় দিনে তোমার পাশে না থাকার জন্য। কথা দিচ্ছি আমার রাজকন্যা, আর কোনোদিন মিস করব না এমন দিন।’

অব্রির পড়াশুনার খবরে উচ্ছ্বসিত সাকিবভক্তরাও। সবাই সাকিবের বড় মেয়েকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাচ্ছেন।

সাকিবের ওই পোস্ট দেওয়ার পর ১৭ ঘণ্টার মধ্যেই সেখানে লাইক পড়েছে ৫ লাখ ৭৫ হাজার। ১৮ হাজারের বেশি কমেন্ট জমা পড়েছে তাতে।

প্রসঙ্গত, সাকিবের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করছে। তার তিন সন্তান। প্রথম দুটি মেয়ে। সবার ছোট ছেলে। গত মার্চে ছেলের বাবা হন সাকিব। এর আগে গত বছরের ২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হন সাকিব। মেয়ের নাম রাখেন এরাম হাসান। সাকিবের প্রথম সন্তান আলাইনার জন্ম ২০১৫ সালে।

Like & Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *